যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এলএনজি বিক্রি করছে চীন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় বিক্রি করছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় বিক্রি করছে চীন। বাণিজ্য বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের কারণে আমদানি খরচ বেড়েছে। এছাড়া এর আগের সরবরাহ চুক্তি অনুযায়ী এলএনজির সরবরাহ আরো বাড়বে। এ সময় অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিম্নমুখী হওয়ায় সামনের দিনগুলোয় বিক্রির প্রবণতা আরো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। খবর রয়টার্স।

বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি আমদানিকারক দেশ চীন। শুল্ক বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর দেশটির মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৫ শতাংশ এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তবে বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার ও এলএসইজির ডাটা অনুযায়ী, মার্চে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীন কোনো এলএনজি আমদানি করেনি।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের বিশ্লেষক অ্যালেক্স সিও বলেন, ‘শুল্কের কারণে খরচ অনেক বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সব এলএনজি কার্গোই অন্য দেশে বিক্রি করে দেয়া হতে পারে।’

কেপলার এলএনজি ইনসাইটের প্রধান লরা পেজ জানান, চলতি বছরের শুরুতেই চীনের ক্রেতারা এরই মধ্যে ইউরোপে প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন এলএনজি পুনরায় বিক্রি করেছে।

শিল্পসংশ্লিষ্ট দুই সূত্র জানায়, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিনোপেক সংস্থা এপ্রিল থেকে ভেঞ্চার গ্লোবালের কাছ থেকে বার্ষিক ১০ লাখ টন এলএনজি কেনার চুক্তি করেছে এবং এরই মধ্যে এ কার্গোগুলো পুনরায় বিক্রি করেছে।

আরেক রাষ্ট্রীয় সংস্থা সিএনওওসি এপ্রিল থেকে ভেঞ্চার গ্লোবালের সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য প্রতি বছর পাঁচ লাখ টন প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির চুক্তি কার্যকর করছে বলেও জানানো হয়েছে।

যদিও ভেঞ্চার গ্লোবাল, সিনোপেক ও সিএনওওসি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যে করতে রাজি হয়নি।

আইসিআইএসের সিও বলেন, ‘সিনোকেম, ফোরান এনার্জি ও পেট্রোচায়নার মতো চীনা আমদানিকারক কোম্পানিগুলো তাদের মার্কিন এলএনজি কার্গো ইউরোপ বা এশিয়ার অন্য বাজারে রফতানি করছে।’

আরও